ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সম্পূর্ণ গাইড
একজন নতুন আবেদনকারী থেকে স্মার্ট কার্ড পাওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া, খরচ, সময় ও নিয়মকানূন এক জায়গায়


১৫-৬০ দিন
ধাপ ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী
৯০০০-৩০,০০০ টাকা
ধাপ ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী

৬টি প্রধান ধাপ
লার্ণার থেকে স্মার্ট কার্ড পর্যন্ত

পেশাদার/অপেশাদার
গাড়ি চালনার ধরন অনুযায়ী
সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এক নজরে
লার্ণার লাইসেন্স
আবেদন ও সঠিক তথ্য প্রদান

লার্ণার পাওয়ার পর
প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি

ড্রাইভিং টেস্ট
লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক
বায়োমেট্রিক
পরীক্ষার দিনই তথ্য সংগ্রহ

ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স
পরীক্ষায় পাশের পর

স্মার্ট কার্ড
আবেদনের মাধ্যমে

লার্ণার লাইসেন্স
যোগ্যতা
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
পেশাদার নাকি অপেশাদার ?
লার্ণার লাইসেন্স আবেদন করার সময়ই পেশাদার বা অপেশাদার লাইসেন্স নির্ধারণ করে নিতে হবে।
অপেশাদার

অপেশাদার লার্ণার লাইসেন্স আবেদন করার সময়ই হালকা মোটরযানের সাথে মোটরসাইকেল যোগ করে নেয়া যায়।
মেয়াদ/নবায়ন
পেশাদার

আবেদন প্রক্রিয়া
বিআরটি পোর্টালে নিবন্ধনের সময় আপনার এনআইডি দিয়ে রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন।
ফি পরিশোধ
| শুধু বাইক অথবা কার | 345 টাকা |
| বাইক + কার | 518 টাকা |
| দুই ক্যাটাগরি | 748 টাকা |
ফি জমা দেওয়ার সাথে সাথেই সিস্টেম থেকে ডিজিটাল লার্নার লাইসেন্স জেনারেট হবে। এটি প্রিন্ট করে নিন। এই কপিতেই আপনার পরীক্ষার তারিখ ও কেন্দ্রের নাম লেখা থাকবে।

লার্ণার লাইসেন্স পাওয়ার পর
লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ নিতে হয়। এরপর লার্নারে নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।

সঠিক প্রশিক্ষণ ও অনুশীলণ
ড্রাইভিং পরীক্ষায় উত্তির্ণ হতে সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।

ড্রাইভিং টেস্ট
ড্রাইভিং টেস্টটি ৩টি ধাপে, যথা- লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপে পৃথক পৃথক ভাবে পাশ করতে হবে।

লিখিত
ট্রাফিক নিয়ম, গাড়ি চালনায় সচেতনা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে।
পরীক্ষার দিন শুধুমাত্র আপনার লার্ণার লাইসেন্স এর মূল কপি ও ১টি কলম সাথে করে নিয়ে যেতে হবে।

মৌখিক
ট্রাফিক সাইন ও সিগনাল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।
সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন, অযথা তাড়াহুড়ো করবেন না, মনে রাখবেন পরীক্ষক সর্বদা নজর রাখছেন

ব্যবহারিক
সরজমিনে মোটরযান চালিয়ে পরীক্ষা দিতে হবে।
পরীক্ষার দিনই আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট, রেটিনা স্ক্যান ও ছবি নেয়া হবে, যা স্থায়ীভাবে আপনার লাইসেন্সে সংরক্ষিত থাকবে

বায়োমেট্রিক

ফিঙ্গারপ্রিন্ট

রেটিনা স্ক্যান

ছবি

স্বাক্ষর

ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড
ড্রাইভিং টেস্টে উত্তির্ণ হলে সাধারণত পরদিনই অনলাইনে ফলাফল প্রকাশিত হয়।

SMS
পরীক্ষায় উত্তির্ণ হলে আপনার মোবাইল নাম্বারে একটি কনফার্মেশন আসবে। অনুত্তির্ণ হলেও তা জানিয়ে দেয়া হবে এবং পুনরায় লার্ণার আবেদন করার জন্য বলা হবে।


BSP Portal
BSP portal এ পুনরায় লগইন করুন, সব তথ্য আগেই দেয়া আছে তাই, নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে লাইসেন্স প্রাপ্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।


পুনরায় SMS
অনলাইন ফি জমা প্রদান সম্পন্ন হলে পরবর্তী 24 ঘন্টার মধ্যে পুনরায় আপনার মোবাইলে মেসেজে আসবে, উক্ত মেসেজে আপনার ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করতে বলা হবে।


ই-ড্রাইভিং
পুনরায় BSP Portal এ লগইন করে আপনার ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করুন এবং পরবর্তী ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করুন। এটাই আপনার গাড়ি চালানোর জন্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদন পত্র

স্মার্ট কার্ড
আপনার মূল পিভিসি (PVC) স্মার্ট কার্ডটি প্রিন্ট হয়ে প্রস্তুত হলে আপনার মোবাইলে এসএমএস (SMS) পাঠানো হবে। মেসেজ পাওয়ার পর অস্থায়ী ই-লাইসেন্স বা লার্নার স্লটটি জমা দিয়ে নির্দিষ্ট বিআরটিএ অফিস থেকে মূল স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। বর্তমানে এটি ডাকযোগেও হোম ডেলিভারি নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।